চামড়ার দাম কমে গেল কেন ? চামড়ার বাজারে কেন ধস !! Why did the price of leather go down? Why the leather market collapsed !! - job4bd

চামড়ার দাম কমে গেল কেন ? চামড়ার বাজারে কেন ধস !! Why did the price of leather go down? Why the leather market collapsed !!

 কিছু সুনির্দিষ্ট কারণে আজ দেশের চামড়ার বাজারের অবনতি ।

The decline of the country's leather market today is due to some specific reasons.


বাংলাদেশের চামড়া একসময় ভাল  দামে বিক্রি হত । কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে চামড়ার দাম নিম্নমুখি হয়ে গিয়েছে ।চামড়ার দাম কমে যাওয়ার পেছনে অবশ্যই কিছু কারণ আছে । এখনকার বাংলাদেশের পানির দাম আছে অথচ চামড়ার দাম নেই ।


 কোরবানির ঈদে প্রচুর চামড়া হয় এদেশে । আর কোরবানির ঈদের চামড়ার টাকা গরিবের হক । আজকে কেন গরিবের হক নামক, চামড়ার দাম কমে গেল ?  বাংলাদেশে কোনো কিছুর দাম একবার বাড়লে তা আর কমতে চাই না । দশ বছর আগেও ছিল যে চামড়ার দাম ২ - ৩ হাজার টাকা । সেই চামড়া এখন বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৩-৫শত টাকা । প্রতি বছর কোরবানি ঈদের পর দেখা যায়, বিপুল পরিমাণ চামড়া অবিকৃত থেকে য়ায় । নাম মাত্র মূল্যে মানুষ চামড়া বিক্রি করতে না পারলে, তখন তারা চামড়া মাটির নিচে পুতে ফেলে । বিষয়টি এমন ও নই যে মানুষ আর চামড়াজাত পন্য ব্যবহার করছে না । চামড়াজাত পন্য ক্রয় করতে গেলে আপনাকে হাজার হাজার টাকা খরচ করতে হবে । এখানে কাচাঁ চামড়ার দাম এত কমে গেল কেন সে সর্ম্পেকে এখানে আলোচনা হবে । চামড়া ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েসন বলছে বাংলাদেশে সারা বছর যত চামড়া বাজারে আসে তার ৬০ থেকে ৭০ % আসে কোরবানি ঈদের সময় । ঈদের সময় সংগৃহিত চামড়াকে কেন্দ্র করে প্রায় ১ হাজার ৫ শত  কোটি টাকার ব্যবসা হয় । কোরবানি ঈদের পর সারাদেশর বিভিন্ন জাইগা থেকে আরৎদার এবং মৌসুমি ব্যবসায়ীরা কাচা চামড়া সংগ্রহ করে । তাদের কাছ থেকে ট্যানারী মালিকেরা সাধারনত লবন মাখানো কাচা চামড়া কিনে নেই । ট্যানারী  মালিক কত দামে আরৎদারদের কাছ থেকে কোরবানীর চামড়া কিনবে সেই দাম নির্ধারন করবে বানিজ্য মন্ত্রনালয় । চামড়ার ব্যবসায় মন্দা লাগার পর থেকে প্রতি বছরই বানিজ্য মন্ত্রনালয় চামড়ার দাম ১০-১৫ টাকা করে বাড়িয়ে দিচ্ছে । কিন্তু মাঠ পর্যায়ে সে দাম কার্যকর হচ্ছে না । এবছর কাচাঁ চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে গরুর চামড়ার মান ভেদে ৪০-৫২ টাকা প্রতি বর্গফুট । 

এবং ছাগলের চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১২-২০ টাকা প্রতি বর্গফুট । চামড়া রপ্তানিকারকরা বলছেন সরকার গত বছরের চেয়ে প্রতি বর্গফুট ৭ টাকা বেশি নির্ধারণ করেছেন । ফলে এবার বেশি দাম দিয়ে চামড়া কিনলে তাদের ব্যয় বাড়বে । এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে লবন এবং চামড়া প্রক্রিয়াজাত করার রাসায়নিকের দাম ও বেড়েছে । সব কিছু মিলিয়ে এবার ও চামড়ার ব্যবসায়ীরা কোরবানির চামড়া নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় রয়েছে । টেনারী শিল্পের অন্যতম উপকরন কাচাঁ চামড়ার দাম দিন দিন আশংকাজনক হারে কমেই চলেছে । প্রায় ১০ বছর আগে ছোট গরুর চামড়ার দাম ১৪শ টাকা থেকে ১৮শ টাকা ছিল । মাঝরি গরুর চামড়া ১৮শ টাকা থেকে ২২শ টাকা । বড় গরুর চামড়া  ২২শ থেকে ২৮শ টাকা । এখন সেই চামড়া বিক্রি হচ্ছে ১শ থেকে ৫শ টাকা । কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যয্য মূল্য না পাওয়ায় এই খাত সংশ্লিষ্ট সমাজের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষেরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে । অনেকেই মনে করেন ট্রেনারীর মালিকেরা ইচ্ছে করেই চামড়ার দাম কম দিচ্ছেন । কিন্তু বিষয়টি সেরকম নই । বরং টেনারী মালিক এবং চামড়াজাত পন্য রপ্তানীকারকরা এখান থেকে মুনাফ করতে পারছে না । সে জন্যই চামড়া শিল্পের এমন ধস নেমেছে । চামড়া শিল্পের সংকটের মূল কারন হচ্ছে, বাংলাদেশ চামড়া পক্রিয়াজাত করার ক্ষেত্রে পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে পারছে না ।বাংলাদেশের চামড়া ও চামড়াজাত পন্য রপ্তানি করার জন্য প্রতিষ্ঠান গুলোর কোনো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই । এছাড়া বাংলাদেশের চামড়া ব্যবসায়ীদের লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ বা LWG এর সনদ নেই । এই  কারণেই চামড়ার ন্যাজ্য দাম পাওয়ার ক্ষেত্রে অসুবিধা হচ্ছে । বিশ্ববাজারে চামড়ার ব্যবসা করার জন্য লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ বা LWG সার্টিফিকেট খুবই গুরুত্বপূর্ন । ২০০৫ সাল থেকে এই অলাভজনক সংগঠন বিশ্বের চামড়া শিল্পের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলোকে  নিরীক্ষা করে । তাদের প্রধান উদ্দেশ্য হল চামড়াজাত পন্য উৎপাদনে পরিবেশ বান্ধব পক্রিয়া নিশ্চিত করে টেকশয় শিল্প  ব্যবস্থা গড়ে তোলা । এছাড়া বিশ্ববাজারে চামড়া ব্যবসা করার জন্য International standard organization বা ISO এর সার্টিফিকেট প্রয়োজন ।রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর  তথ্যমতে, বাংলাদেশ থেকে ইতালি,  নিউজিল্যান্ড,  পোল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, জার্মানি, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ও যুক্তরাষ্ট্রে চামড়াজাত পন্য রপ্তানী করা হয় । তবে ইউরোপের দেশ গুলোই মূলত চামড়া রপ্তানী  ক্ষেত্রে সবছেয়ে লাভজনক বাজার । ইউরোপের বাজারে চামড়া রপ্তানী করার জন্য বাংরাদেশের চামড়া রপ্তানীকারকদের প্রয়োজনীয় দুটি সনদের কোনোটিই নেই । কিছু কিছু দেশে বাংলাদেশের পন্য সামান্য পরিমানে ডুকলেও সন্তোষজনক দাম পাওয়া যাচ্ছে না । ঢাকার হাজারীবাগ থেকে সরিয়ে সাভারে যে চামড়া শিল্প নগরী গড়ে তুলা হয়েছে তা সন্তোষজনক মান উন্নয়ন করতে পারেনি । লেদার  ওয়ার্কিং গ্রুপ বা LWG এর সার্টিফিকেট পেতে ১৩৬৫ নম্বরের মান যাচাই পক্রিয়া হয় । সেখানে বাংলাদেশ কুটির শিল্প কর্পোরেশন বা বিসিক পেয়েছে মাত্র ২০০ নম্বর । সনদ পেতে অবশিষ্ট ১১৬৫ নম্বর বিসিক ও ট্রেনারী মালিকদের অর্জন করতে হবে । আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম যেখানে ৫ থেকে ৬ ডলার সেখানে বাংলাদেশি রপ্তানি কারকরা পাচ্চে ১.৫ থেকে ২ ডলার । পরিবেশগত সার্টিফিকেট না থাকার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের চামড়া কেই ন্যাজ্য দামে বিক্রি করতে পারে না । সেজন্য প্রতিযোগি দেশ গুলোর তুলনাই আমরা প্রায় ২০ থেকে ৫০ শতাংশ কম মূল্য পাচ্ছি । বর্তমানে বিশ্ববাজারে চামড়ার দাম কিছুটা বেশি । কিন্তু আমরা সেই মুনাফা অর্জন করতে পারছি না । বাংলাদেশ যতদিন পর্যন্ত চামড়া প্রক্রিয়াজাত করনে পরিবেশ বান্ধব আন্তর্জাতিক মান অর্জন করতে না পারবে , ততদিন চামড়া শিল্পে স্থিতিশিলতা আসবে না । যার কারনে দেশীয় চামড়ার সঠিক দাম পাওয়া যাবেনা । 

চামড়ার দাম কমে গেল কেন ? চামড়ার বাজারে কেন ধস !! Why did the price of leather go down? Why the leather market collapsed !!



Bangladeshi leather was once sold at a good price. But over the past few years, leather prices have plummeted.There are definitely some reasons behind the fall in leather prices. Today's Bangladesh has water price but not leather price .


 Eid al-Adha is a lot of skin in this country. And the skin money of Eid-ul-Adha is the right of the poor. Today, the poor hawk called, the price of leather went down? Once the price of something increases in Bangladesh, it does not want to decrease. Ten years ago, the price of leather was 2-3 thousand TAKA. That leather is now being sold for only 3-5 hundred Taka. In the morning, after the Eid-ul-Adha, a huge amount of skin is left intact. If people can't sell leather at a nominal price, then they put the leather under the ground. The point is not that people are no longer using leather goods. You have to spend thousands of rupees to buy leather goods. We will discuss here why the price of raw leather has come down so much. The Bangladesh Tanners Association, an association of leather traders, says that 60 to 70% of the leather that comes to the market in Bangladesh throughout the year comes during Eid-ul-Adha. About 1,500 crore Taka is traded on the leather collected during Eid. After Eid-ul-Adha, artisans and seasonal traders collect raw hides from different parts of the country. Tannery owners do not usually buy salted raw hides from them. The Ministry of Commerce will determine the price at which the tannery owner will buy the sacrificial skin from the artisans. The Ministry of Commerce has been increasing the price of leather by Taka 10-15 every year since the recession in the leather business. But at the field level that price is not being implemented. This year, the price of raw leather has been fixed at Tk 40-52 per square foot depending on the quality of cow skin. And the price of goat skin has been fixed at 12-20 Taka per square foot. Leather exporters say the government has set a higher price of Tk 8 per square foot than last year. As a result, if they buy leather at a higher price, their cost will increase. In addition, the price of salt and skin processing chemicals has also risen in recent times. All in all, this time the leather traders are worried about the sacrificial skin. The price of raw leather, one of the tools of the tannery industry, has been declining at an alarming rate. About 10 years ago, the price of small cow hides ranged from Rs 1,400 to Rs 1,800. Medium cow skin from 1800 to 2200 rupees. Large cow skin 2200 to 2800 Taka. Now that leather is being sold for 100 to 500 Taka. Due to non-receipt of fair price of sacrificial animal skin, people from different walks of life in this sector are suffering. Many people think that the owners of the trainees are willingly paying less for the leather. But that is not the case. On the contrary, tannery owners and exporters of leather goods are not able to make a profit from it. That is why the leather industry has collapsed. 

The main reason for the crisis in the leather industry is that Bangladesh is not able to maintain the ecological balance in the process of leather processing. Besides, leather traders of Bangladesh do not have the certificate of Leather Working Group or LWG. This is the reason why it is difficult to get a fair price for leather. Leather Working Group or LWG certificate is very important for trading leather in the world market. Since 2005, the non-profit organization has been monitoring companies involved in the leather industry around the world. Their main objective is to build a sustainable industrial system by ensuring eco-friendly processes in the production of leather goods. According to the Export Promotion Bureau, Bangladesh exports leather products to Italy, New Zealand, Poland, France, Belgium, Germany, Canada, the United Kingdom and the United States. However, European countries are the most lucrative market for leather exports. Bangladeshi leather exporters do not have any of the two certificates required to export leather to the European market. In some countries, even if a small amount of Bangladeshi products are sold, satisfactory prices are not available. The leather industrial city that was built in Savar after being shifted from Hazaribagh in Dhaka could not develop to a satisfactory standard. To get the certificate of Leather Working Group or LWG, the value verification process of 1385 is done. There Bangladesh Cottage Industries Corporation or BSIC got only 200 marks. The remaining 1175 BSIC and trainee owners have to get the certificate. In the international market, the price of leather per square foot is 5 to 6 dollars, while Bangladeshi exporters are 1.5 to 2 dollars per square foot. Due to lack of environmental certificate, no one can sell Bangladeshi leather in the international market at a fair price. That is why we are getting about 20 to 50 percent less price compared to the competing countries. At present the price of leather is a bit higher in the world market. But we are not able to make that profit. As long as Bangladesh cannot achieve environmentally friendly international standards in leather processing, there will be no stability in the leather industry. Due to which the exact price of native leather will not be available.


tags:- বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের বর্তমান অবস্থা,  চামড়া শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান ২০২২, বাংলাদেশের চামড়া শিল্প কোন ধরনের শিল্প, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চামড়া শিল্পের অবদান, বাংলাদেশের চামড়া শিল্প নগরী কোথায়, ট্যানারি শিল্প, চামড়া শিল্পের গুরুত্ব, চামড়া শিল্পের সম্ভাবনা, 

Current status of leather industry in Bangladesh, position of Bangladesh in leather industry 2022, what kind of industry is leather industry in Bangladesh, contribution of leather industry in economy of Bangladesh, where is leather industry city of Bangladesh, tannery industry, importance of leather industry, potential of leather industry,